earth
বাতাসের দিনে তুমি আকাশে উঁচুতে ঘুড়ি ওড়াতে পারো।
বাতাস মানে হলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বায়ুর চলাচল। সূর্য মাটিকে অসমভাবে গরম করে, তাই কোথাও গরম বাতাস ওপরে উঠে যায় আর সেই জায়গা নিতে ঠান্ডা বাতাস তেড়ে আসে—সেই তেড়ে আসা বাতাসই ঘুড়ির গায়ে ধাক্কা দিয়ে তুমি অনুভব করো।
বাতাস আকাশের ভেঙে পড়া কোনো টুকরো নয়, আর মেঘ পড়ে যাওয়াও নয়—আকাশের কোনো শক্ত টুকরো নেই, আর মেঘ তৈরি হয় ছোট ছোট পানির কণা ভেসে থেকে, বাতাস হয়ে পড়ে যাওয়া চাঁইয়ের মতো নয়।
শক্তিশালী, স্থির বাতাস এতটাই কাজে লাগে যে মানুষ বিশাল বায়ুকল বানায়, যাকে বলে উইন্ড টার্বাইন, যা সেই চলমান বাতাস ধরে ঘরের জন্য বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে।
earth
A23a নামক বিশাল হিমশৈলের কী হয়েছিল?বিজ্ঞানীরা মনে করেন লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর মহাদেশগুলি কেমন ছিল?বিদ্যুতের ঝলকানির পর আমরা কী শুনি?২০২৩ সাল থেকে একই জমিতে কয়েকবার নতুন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে কোন দেশে?সেই প্রাচীন হাড়গুলো কীভাবে আজকের খুঁড়ে পাওয়া জীবাশ্মে পরিণত হয়?গুহায় এই ফোঁটা ফোঁটা পাথরের আকৃতিগুলো কীভাবে ধীরে ধীরে তৈরি হয়?২০২৫ সালে বিজ্ঞানীরা ওজোন গর্ত সম্পর্কে কী ভালো খবর শেয়ার করেছিলেন?যে পাহাড় অগ্ন্যুৎপাত করতে পারে তাকে কী বলে?একটা রংধনুতে কয়টা প্রধান রঙ থাকে?পৃথিবীর প্রায় কতটুকু সমুদ্র?জলের এই কখনও শেষ না হওয়া ওঠানামার যাত্রাকে আমরা কী বলি?পুনর্ব্যবহার পৃথিবীর জন্য কেন উপকারী?Quration — Quration Kids