science
আপনার শরীরের কার্বন, অক্সিজেন ও লোহা বহুকাল আগে তৈরি হয়েছিল এবং তাদের জন্মস্থান বিলীন হলে মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।
আপনার শরীরের বেশিরভাগ পরমাণু, আপনার পেশির কার্বন, আপনি যে অক্সিজেন শ্বাস নেন, আপনার রক্তের লোহা, তারার ভেতরে নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল, যা একটি তারার বিশাল চাপ ও তাপের নিচে হালকা মৌল থেকে ভারী মৌল তৈরি করে। যখন সেই তারাগুলো মারা যায়, প্রায়ই সুপারনোভা বিস্ফোরণের মাধ্যমে, তারা এই মৌলগুলোকে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়, যেখানে সেগুলো শেষ পর্যন্ত নতুন তারা, গ্রহ এবং জীবিত প্রাণীর অংশ হয়ে ওঠে।
পৃথিবীর মহাসাগর ও আজকের সূর্য এই মৌলগুলোর প্রকৃত উৎপত্তিস্থল নয়, মহাসাগরগুলো শুধু সেই জায়গা যেখানে পানি ও খনিজ পদার্থ শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছে, এবং যদিও সূর্যের ভেতরে আজও ফিউশন ঘটে, আপনার শরীরের ভারী মৌলগুলো এর চেয়েও পুরনো, আগের প্রজন্মের তারা থেকে আসা।
এখান থেকেই এসেছে সেই প্রবাদ যে আমরা সবাই তারার ধুলো দিয়ে তৈরি, একটি কাব্যিক কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক বর্ণনা যে পরমাণুগুলো সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার বিলিয়ন বছর আগের নাক্ষত্রিক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়।
science
একটি বজ্রপাত সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়েও বেশি গরম — সত্য না মিথ্যা?সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে আনুমানিক কত সময় লাগে?পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় চোখ কোন প্রাণীর?তুমি যে বাতাস শ্বাসে নাও, তার বেশির ভাগ কোন গ্যাস?সত্যিকারের, একটানা উড়তে সক্ষম একমাত্র স্তন্যপায়ী কোনটি?মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা মৌলটি কোনটি?সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় কোন ধাতু তরল অবস্থায় থাকে?কিছু শামুক একটানা কত দিন ঘুমিয়ে থাকতে পারে?আলো আনুমানিক কত দ্রুত চলে?বেড়ে ওঠা একটি গাছের ভরের বেশিরভাগটা আসলে কোথা থেকে আসে?দিনের বেলা আকাশ নীল দেখায় কেন?উত্তরের আলো (অরোরা) কীসের কারণে হয়?Quration — Quration Play